
ডর্মিটরিতে শীতল রাতগুলো শুধুমাত্র মনোযোগকেই নষ্ট করে না; এগুলো ত্বককে শুকিয়ে দেয়, কাঁধে ব্যথা সৃষ্টি করে, আর অধ্যয়নের সময়কে কষ্টকর করে তোলে। বেশিরভাগ হিটারগুলো থেকে বের হওয়া তাপ খুবই তীব্র হয়; আর ইনফ্রারেড হিটারগুলোর ক্ষেত্রে তো ত্বকের জন্য এটা ক্ষতিকারক হতে পারে। আমরা এই হিটারটিকে ত্বক-বান্ধব ইনফ্রারেড তরঙ্গ ব্যবহার করে তৈরি করেছি; ফলে উষ্ণতাটি আপনার জন্য উপকারী হয়, ক্ষতিকারক নয়।
এর অভ্যন্তরীণ কাঠামো হলো: কার্বন ফাইবার উপাদানকে কোয়ার্টজ পথের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করে ইনফ্রারেড তাপকে নিয়ন্ত্রিত করা হয়। ফলে হালকা উষ্ণতা পাওয়া যায়; যা শুধুমাত্র বাতাসকে গরম করে না, বরং ত্বককেও উষ্ণ রাখে। এর ক্ষমতা ১৫০০ ওয়াট; যা ছোট ঘরগুলোর জন্য উপযুক্ত। কম আলোর কারণে রাতে অধ্যয়ন করার সময় চোখে আলো না লাগে। অন্তর্নিহিত থার্মোস্ট্যাট তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখে; আর ওভারহিট প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
ডর্মিটরিতে আরাম মানে হলো নীরবতা, দ্রুততা, এবং ত্বকের জন্য উপকারী পরিবেশ। এই হিটারটি দ্রুত উষ্ণতা সরবরাহ করে; আর প্রচলিত হিটারের তুলনায় ত্বকে কোনো কষ্ট না দেয়। আপনি দ্রুত আরামবোধ করবেন, দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন; আর ডেস্কে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে সৃষ্ট পেশী-টান কমে যাবে। ঘরটি আবার আরামদায়ক মনে হবে।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ইনফ্রারেড তাপ সরাসরি মানুষ ও জিনিসপত্রকে উষ্ণ করে; তাই চারপাশের বাতাস ঠান্ডা থাকে। সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য, হিটারটিকে এমনভাবে স্থাপন করুন যাতে এটি আপনার মুখে সরাসরি আলো না ফেলে; আর এটিকে বিছানা ও পর্দার থেকে দূরে রাখুন। এটি অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে; আর যদিও এটি নীরবে কাজ করে, তবুও বাতাসের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে একটি ছোট ফ্যান ব্যবহার করা ভালো।